শতমূলী (শতাবরী) কি, উপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম ও অপকারিতা
শতমূলী বা শতাবরী কি, শতমূল পাউডার খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা, সঠিক খাওয়ার নিয়ম, মাত্রা, দাম এবং নারীস্বাস্থ্যে এর ভূমিকা নিয়ে বাংলায় আয়ুর্বেদিক গাইড।
অAI-সহায়তায় গবেষণা ও খসড়া; সম্পাদনা, যাচাই ও তথ্যের দায়ভার লেখক অভিজিৎ সাউ-এর। সম্পাদকীয় নীতি ও গবেষণা পদ্ধতি।

সূচিপত্র
সূচিপত্র10টি বিভাগ
শীতের সকালে ঠাকুমার হাতে একটা কাচের শিশি দেখতাম, ভেতরে হালকা ক্রিম রঙের গুঁড়ো। বলতেন এটা "সাতমূলী", মেয়েদের শরীরের জন্য ভালো (ছোটবেলায় গন্ধটা আমার ভালো লাগত না, তাই এড়িয়েই যেতাম)। অনেক পরে জেনেছি, বইয়ের ভাষায় এটাই শতমূলী বা শতাবরী, বিজ্ঞানসম্মত নাম Asparagus racemosus। নামটা শুনতে আলাদা, গাছ একটাই।
শতমূল আসলে কী কাজ করে? এক কথায়, এটি মূলত নারীস্বাস্থ্য, হরমোন ভারসাম্য, বুকের দুধ ও পরিপাকতন্ত্রের যত্নে ব্যবহৃত একটি আয়ুর্বেদিক রসায়ন ভেষজ, যার শিকড়ই আসল ওষধি অংশ। চরক সংহিতা একে আলাদা করে "স্ত্রী রসায়ন" বলেছে।
আজকের লেখায় ধাপে ধাপে দেখব শতমূলী গাছ দেখতে কেমন, শতমূল পাউডার খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা, সঠিক খাওয়ার নিয়ম, দাম, এবং কাদের সতর্ক থাকা উচিত।
শতমূলী গাছ দেখতে কেমন ও কোথায় পাওয়া যায়?
শতমূলী একটি বহুবর্ষজীবী লতানো ভেষজ উদ্ভিদ, যার বৈজ্ঞানিক নাম Asparagus racemosus। গাছটি লতানো ও কাঁটাযুক্ত, পাতাগুলো সুতোর মতো সরু সবুজ, ফুল ছোট ও সাদা, পাকলে ছোট লাল বেরি ধরে, আর মাটির নিচে পেঁয়াজ-সদৃশ গুচ্ছ করে থাকে মোটা মাংসল অসংখ্য শিকড় যা আয়ুর্বেদে আসল ওষধি অংশ। নামেই তার ইঙ্গিত, "শত মূল", মানে বহু শিকড়।
একটা বিষয় গুলিয়ে যায় প্রায়ই। বাজারে সবজি হিসেবে যে সবুজ অ্যাসপারাগাস (Asparagus officinalis) বিক্রি হয়, সেটি আলাদা প্রজাতি, ওষধি শতমূলী নয়। তাই ইংরেজিতে Asparagus খুঁজতে গিয়ে এই দুটো মিলিয়ে ফেলবেন না।
বাংলাদেশে শতমূলী উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের শালবন ও বনাঞ্চলে জন্মায়, অনেকে বাগানেও চাষ করেন। চাষ হয় মূলত বীজ থেকে, বীজ এক দিন জলে ভিজিয়ে বুনলে দশ থেকে পনেরো দিনে চারা গজায়, আর রোপণের উপযুক্ত সময় এপ্রিল থেকে মে মাস। বাংলায় কোথাও কোথাও একে সাতমূলী বা শতমূল বলা হয়, আর ইউনানি চিকিৎসায় এর নাম সাতাওয়ার।
শতমূলীর উপকারিতা, এক নজরে
শতমূলীর সবচেয়ে পরিচিত ব্যবহার নারীস্বাস্থ্যে, তবে এর ভূমিকা তার চেয়ে চওড়া। নিচে মূল উপকারিতাগুলো এক জায়গায়।
- নারীস্বাস্থ্য ও হরমোন, ঋতুচক্রের অনিয়ম ও মেনোপজ-উত্তর অস্বস্তিতে আনুষঙ্গিক ভেষজ
- বুকের দুধ বৃদ্ধিতে প্রচলিত গ্যালাকটাগগ হিসেবে
- অম্বল ও অ্যাসিডিটিতে, গ্যাস্ট্রিক আস্তরণের সুরক্ষায়
- শারীরিক দুর্বলতা ও পুনরুদ্ধারে, অসুখের পরে রসায়ন হিসেবে
- চাপ-সহিষ্ণুতায়, অ্যাডাপ্টোজেন ঘরানার প্রভাব
- রোগ প্রতিরোধে পলিস্যাকারাইড-জনিত সম্ভাব্য সহায়তা
- হজম ও পরিপাকে, ঐতিহ্যবাহী অগ্নি-দীপক হিসেবে
- মূত্রনালীর আরামে, হালকা ডাইউরেটিক প্রভাব
- প্রদাহ ও ত্বকের যত্নে, প্রাথমিক গবেষণায় আলোচিত
কোনটাই জাদু নয়। মাত্রা, ধারাবাহিকতা আর প্রস্তুতির মান, এই তিনটেই আসলে ঠিক করে শতমূলী কতটা কাজে আসবে, আর সেইজন্যই নিচের গবেষণা ও খাওয়ার নিয়মের অংশটা মন দিয়ে পড়া দরকার।
আধুনিক গবেষণা কী বলছে
শতমূলী নিয়ে গবেষণা গত দুই দশকে অনেক বেড়েছে, যদিও বেশিরভাগই এখনও ছোট নমুনার বা প্রাণী-ভিত্তিক। সবচেয়ে জোরালো সাম্প্রতিক প্রমাণ এসেছে মেনোপজ নিয়ে। ২০২৫ সালে Frontiers in Reproductive Health জার্নালে প্রকাশিত একটি র্যান্ডমাইজড ডাবল-ব্লাইন্ড ট্রায়ালে (১৩৫ জন, দিনে ৩০০ মিগ্রা স্ট্যান্ডার্ডাইজড নির্যাস, ৮ সপ্তাহ) দেখা গেছে মেনোপজ রেটিং স্কেল প্লাসিবোর তুলনায় অনেক বেশি কমেছে, প্রায় ১৩ পয়েন্ট বনাম ৩ পয়েন্ট, এবং মানসিক চাপের স্কোরও উন্নত হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ দিক একটাই। ওই ট্রায়ালে লিভার, কিডনি বা থাইরয়েডে উল্লেখযোগ্য কোনো খারাপ প্রভাব দেখা যায়নি, তবু এটি একটিমাত্র গবেষণা। মূল সক্রিয় যৌগ শতাবরিন (Shatavarins), যেগুলো স্যাপোনিন গোষ্ঠীর এবং ফাইটোএস্ট্রোজেন কার্যকলাপ দেখায়, সম্ভবত এর হরমোন-সম্পর্কিত প্রভাবের পেছনে কাজ করে।
| প্রসঙ্গ | প্রমাণের জোর | এক কথায় |
|---|---|---|
| মেনোপজ-উপসর্গ | মাঝারি, ২০২৫ RCT | প্লাসিবোর চেয়ে স্পষ্ট উন্নতি |
| বুকের দুধ বৃদ্ধি | দুর্বল থেকে মাঝারি | ছোট ট্রায়ালে আংশিক সমর্থন |
| অম্বল ও আলসার | দুর্বল | প্রাণী ও ছোট মানব গবেষণা |
| চাপ ও প্রতিরোধ | প্রাথমিক | আশাব্যঞ্জক, নিশ্চিত নয় |
মনে রাখবেন একটাই কথা। বড় মাপের ট্রায়াল এখনও কম, তাই শতমূলীকে কোনো রোগের প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা ভাবা ঠিক নয়, এটি বরং প্রচলিত চিকিৎসার পরিপূরক একটি সহায়ক ভেষজ।
শতমূল পাউডার কীভাবে ও কতটা খাবেন?
শতমূল সাধারণত গুঁড়ো, ঘৃত বা ক্যাপসুল, এই তিন রূপে খাওয়া হয়, আর কোন রূপে কতটা নেবেন তা নির্ভর করে উদ্দেশ্য ও সহনশীলতার ওপর। সবচেয়ে প্রচলিত হলো চূর্ণ বা পাউডার।
| রূপ | মাত্রা | কীভাবে |
|---|---|---|
| চূর্ণ বা পাউডার | আধ থেকে ১ চা চামচ (২ থেকে ৪ গ্রাম) | গরম দুধ বা জলে, দিনে ১ থেকে ২ বার |
| শতাবরী ঘৃত | আধ থেকে ১ চা চামচ | সকালে খালি পেটে |
| ক্যাপসুল | ৩০০ থেকে ৫০০ মিগ্রা | খাবারের সঙ্গে, দিনে ১ থেকে ২ বার |
| সংমিশ্রণ | চিকিৎসকের পরামর্শে | আশ্বগন্ধা বা ব্রাহ্মীর সঙ্গে |
পাউডার খাওয়ার সহজ নিয়মটা এমন। রাতে শোবার আগে এক কাপ গরম দুধে আধ চা চামচ শতমূল চূর্ণ গুলে নিন, স্বাদ অপ্রিয় লাগলে এক চিমটি এলাচ মেশান, আর সপ্তাহে পাঁচ থেকে ছয় দিন খেয়ে মাঝে এক-দুদিন বিরতি দিন। শুরুতে অর্ধেক মাত্রা।
শাস্ত্রীয় প্রস্তুতিতে তাজা শিকড়ের রসও চলে, দুর্বলতা বা স্তন্যদানে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিলি রস এক কাপ দুধ ও সামান্য চিনি মিশিয়ে সকাল-সন্ধ্যা খাওয়ার চল আছে। তবে তাজা শিকড় শহরে পাওয়া কঠিন, তাই বেশিরভাগ মানুষ চূর্ণ বা ক্যাপসুলেই থিতু হন।
টানা কতদিন? সাধারণ পরামর্শ, তিন মাস খাওয়ার পরে দু-তিন সপ্তাহ বিরতি, কারণ দীর্ঘদিন একটানা খেলে শরীর সয়ে যেতে পারে। আশ্বগন্ধা ও ব্রাহ্মীর সঙ্গে শতমূলীর সংমিশ্রণ অনেক স্ত্রী-প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়, এ নিয়ে আশ্বগন্ধা ও ব্রাহ্মীর লেখায় বিশদ আছে।
পুরুষের জন্য শতমূলী, শাস্ত্র কী বলে
শতমূলী মূলত স্ত্রী-ভেষজ হলেও আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে পুরুষের জন্যও এর ব্যবহার আছে, বিশেষত বাজিকরণ বা পুনরুজ্জীবনী প্রস্তুতিতে। প্রাচীন গ্রন্থে শারীরিক দুর্বলতা, স্বপ্নদোষ ও সাধারণ ক্লান্তিতে শতমূলীর শিকড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়, প্রচলিত মাত্রা দিনে ৫ থেকে ১০ গ্রাম চূর্ণ এক কাপ দুধের সঙ্গে।
প্রমাণ এখানে পাতলা। পুরুষ-প্রজনন বা টেস্টোস্টেরন নিয়ে শতমূলীর আধুনিক বড় মাপের মানব-গবেষণা প্রায় নেই, তাই এই দাবিগুলো মূলত শাস্ত্রীয় ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক, নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত কিছু নয়। কেউ দুর্বলতা বা যৌন-স্বাস্থ্যের সমস্যায় ভুগলে ভেষজে ভরসা করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো, কারণ এর পেছনে চিকিৎসাযোগ্য কোনো কারণ থাকতে পারে যা শুধু ভেষজে ঠিক হবে না।
শতমূলীর অপকারিতা ও কে সতর্ক থাকবেন
শতমূলী সাধারণত নিরাপদ, কিন্তু কিছু অবস্থায় এটি এড়িয়ে চলা বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বেশিরভাগ অপকারিতা হালকা, যেমন পেট ভার, গ্যাস, পাতলা পায়খানা, কারো ত্বকে ফুসকুড়ি।
| কাদের সতর্কতা | কারণ |
|---|---|
| এস্ট্রোজেন-সংবেদনশীল অসুখ | ফাইটোএস্ট্রোজেন প্রভাব, যেমন কিছু স্তন টিউমার, এন্ডোমেট্রিওসিস |
| গর্ভাবস্থা, বিশেষত প্রথম তিন মাস | পর্যাপ্ত নিরাপত্তা-তথ্য নেই, চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি |
| ডায়াবেটিসের ওষুধ | রক্তে শর্করায় প্রভাব পড়তে পারে |
| কিডনির সমস্যা ও edema | হালকা ডাইউরেটিক প্রভাব |
| লিথিয়াম চিকিৎসা | ওষুধের মাত্রা বদলাতে পারে |
| অ্যাসপারাগাসে অ্যালার্জি | সরাসরি অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া |
ঝুঁকিটা একদম ছোট নয়। বিশেষত আপনি যদি জন্মনিরোধক বড়ি, হরমোন থেরাপি বা ডায়াবেটিসের ওষুধ নেন, তবে শতমূলী শুরুর আগে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ, কারণ হরমোন ও রক্তে শর্করার সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া এখানে আসল ঝুঁকি। অম্বলের জন্য খেলেও অ্যাসিডিটির অন্য ঘরোয়া উপায় মাথায় রাখুন।
শতমূলী পাউডারের দাম ও ভাল মানের চেনার উপায়
শতমূলী পাউডারের দাম ব্র্যান্ড, বিশুদ্ধতা ও পরিমাণভেদে বদলায়। বাংলাদেশে সাধারণ মানের শতমূল চূর্ণ ১০০ গ্রাম মোটামুটি ১৫০ থেকে ৩০০ টাকায় পাওয়া যায়, আর স্ট্যান্ডার্ডাইজড নির্যাস বা ভালো ব্র্যান্ডের ক্যাপসুলের দাম এর চেয়ে বেশি হতে পারে। সস্তা মানেই খারাপ নয় আবার চড়া দাম মানেই খাঁটি নয়।
দাম যাচাইয়ের আগে মান যাচাই করুন। কয়েকটা সহজ সূত্র।
- রঙ হালকা সাদা থেকে ক্রিম, অতিরিক্ত হলুদ বা বাদামি মানে ভেজাল
- গন্ধ মৃদু ও মিষ্টি, তেতো বা বোঁটকা গন্ধ মানে নষ্ট
- প্রস্তুতকারকের AYUSH নিবন্ধন ও অনুমোদন দেখে নিন
- ভালো প্রস্তুতিতে শতাবরিনের শতকরা মাত্রা বা স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন লেখা থাকে
খোলা বাজারে নাম-হীন গুঁড়ো কিনবেন না। বরং AYUSH-নিবন্ধিত পরিচিত ব্র্যান্ডের সিল করা প্যাকেট বেছে নেওয়া অনেক বেশি নিরাপদ, কারণ হরমোন-সক্রিয় ভেষজে ভেজাল বা ভুল প্রজাতি মিশে গেলে উপকারের বদলে ক্ষতি হতে পারে।
একটি ছোট ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ
পড়াশোনার সময় আমার একটা জিনিস বারবার মনে হয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা যেখানে মেয়েদের হরমোনাল স্বাস্থ্যকে আলাদা করে বুঝতে এখনও সময় নিচ্ছে, সেখানে প্রায় তিন হাজার বছর আগের চরক সংহিতা শুধু "স্ত্রী রসায়ন" নামে একটা আলাদা বিভাগই তৈরি করে রেখেছিল। এই গভীরতা সত্যিই অবাক করে।
তবে এক চিকিৎসক বন্ধু আমাকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন একটা কথা। পুরোনো বলেই সব ঠিক, এমন ভাবা বিপজ্জনক, কারণ হরমোন-সক্রিয় ভেষজ ভুল মানুষের হাতে ভুল সময়ে গেলে ক্ষতিও করতে পারে। তাই অনলাইন প্রভাবী বা স্বঘোষিত ভেষজ গুরুর কথায় ভরসা না করে, শতমূলী শুরু করুন তথ্য আর চিকিৎসকের পরামর্শ মিলিয়ে।
উপসংহার
শতমূলী বা শতাবরী আয়ুর্বেদের অন্যতম প্রাচীন স্ত্রী-ভেষজ, যার মূল ব্যবহার নারীস্বাস্থ্য, হরমোন ভারসাম্য, বুকের দুধ ও পরিপাকতন্ত্রের যত্নে, আর সাম্প্রতিক গবেষণা এর কিছু দাবিকে আংশিকভাবে সমর্থনও করছে। তবে নিশ্চিত উপসংহার এখনও দূরে। সঠিক মাত্রা, ভালো মানের প্রস্তুতি আর সংবেদনশীল অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ, এই তিনটে একসঙ্গে থাকলে শতমূলী সাধারণত নিরাপদ। মেনোপজ নিয়ে আরও পড়তে চাইলে মেনোপজ ও আয়ুর্বেদ এবং হরমোন-সম্পর্কিত সমস্যায় পিসিওএস ব্যবস্থাপনার লেখা দেখতে পারেন।
আজ রাতেই শুরু করতে চাইলে এক কাপ গরম দুধে আধ চা চামচ শতমূল চূর্ণ গুলে এক সপ্তাহ খেয়ে দেখুন, তারপর নিজের শরীরের সাড়া দেখে সিদ্ধান্ত নিন। আপনার পরিবারে কি শতমূলী কখনো ব্যবহার হয়েছে, মা বা ঠাকুমার হাতে? নিচে জানাতে পারেন।
সূত্র / Sources
- Frontiers in Reproductive Health 2025, Shatavari menopause RCT (PMC)
- PubMed, Shatavari root extract for menopausal symptoms RCT
- চরক সংহিতা, Wikisource
- Ministry of AYUSH, Government of India
- World Health Organization
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র তথ্যমূলক উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। যেকোনো স্বাস্থ্য সমস্যায় একজন যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য। এটি চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর

লেখক সম্পর্কে
অভিজিৎ সাউ
তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী ও স্বাস্থ্য-বিষয়ক লেখক
তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে কর্মরত একজন প্রকৌশলী। বিগত কয়েক বছর ধরে বাংলা ভাষায় আয়ুর্বেদ, ভেষজ ও প্রাকৃতিক জীবনযাত্রার বিশ্বস্ত তথ্য সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। প্রতিটি নিবন্ধের পেছনে শাস্ত্রীয় গ্রন্থ, AYUSH মন্ত্রকের নির্দেশিকা ও প্রকাশিত গবেষণাপত্র যাচাই করি।
এই নিবন্ধটি প্রকাশের আগে প্রাথমিক উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই ও সম্পাদনা করা হয়েছে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি।

যষ্টিমধুর উপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম ও কাদের ঝুঁকি বেশি
যষ্টিমধুর উপকারিতা কাশি, গলা ব্যথা ও অম্লে, সঠিক খাওয়ার নিয়ম ও মাত্রা, আর উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনির সমস্যায় কেন যষ্টিমধু এড়ানো জরুরি, বাংলায় বিস্তারিত গাইড।

রসুনের আয়ুর্বেদিক ব্যবহার — কোলেস্টেরল, ঠান্ডা, বাত ও হজমে গুণ
রসুনের আয়ুর্বেদিক রস-বীর্য-বিপাক, কোলেস্টেরল-হৃদরোগ গবেষণা, ঠান্ডা-কাশি-বাত-হজমে ব্যবহার, কাঁচা ও রান্না-করা রসুনের পার্থক্য এবং কারা সতর্ক, বাংলা গাইড।

করলার উপকার — ডায়াবেটিস, লিভার ও ত্বকে আয়ুর্বেদিক তেতো সবজি
করলার আয়ুর্বেদিক রস-গুণ, রক্তে শর্করা ও লিভারে সম্ভাব্য ভূমিকা, করলার জুস কীভাবে বানাবেন, কতটুকু খাবেন এবং কারা সতর্ক থাকবেন, বাঙালি গাইডে সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা।